উদ্দীপকে স্তবক ১-এর ভাবার্থ 'আশা' কবিতার পরোপকারী মনোভাবের দিকটিকে ইঙ্গিত করে।
পরোপকার একটি মহৎ গুণ। পরোপকারী মনোভাব মানুষকে মহৎ করে। মানুষ যখন মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করে তখন তার জীবন সার্থকতা লাভ করে। আমাদের সমাজে অনেকেই আছেন যারা নিঃস্বার্থ, পরোপকারী মহৎ মানুষ।
উদ্দীপকের স্তবক ১-এর কবিতাংশে নিজের স্বার্থ তথা লাভের চিন্তা না করে অন্যের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করার কথা বলা হয়েছে। কবি এখানে সবার সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতে চেয়েছেন। সবাই মিত্র ভেবে ভালোবেসে সংসারে এক নতুন সমাজ প্রতিষ্ঠায় তিনি তৎপর হয়েছেন। উদ্দীপকের কবির এই ভাবটি 'আশা' কবিতায় প্রতিফলিত কবির প্রকৃত সুখ প্রত্যাশার ভাবনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিও এখানে মানুষে মানুষে ভেদাভেদহীন, পরস্পরের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও বন্ধনের সমাজ গড়ে তুলতে চেয়েছেন। সেখানে মানুষ বিত্ত-বৈভবের আশায় না থেকে অল্পে তুষ্ট থাকবে এবং পরস্পরকে ভালোবাসার মাধ্যমে প্রকৃত সুখের সন্ধান করবে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!